1. dailychatoniaymuktijuddha@gmail.com : admin :
November 3, 2026, 11:31 pm
Title :
কেশবপুরে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে জোড়া খুন, গ্রেপ্তার ২ লেদা ক্যাম্পে অবস্থানের ব্যাখ্যা দিতে না পারায় রোহিঙ্গা যুবকের কারাদণ্ড শিবপুরে মেয়াদহীন ওষুধ বিক্রি ও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা, তিন প্রতিষ্ঠানকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা বুয়েট শিক্ষার্থী সানজিদার জাতীয় সাফল্য, সোলার এক্সপোতে প্রথম পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুলিশের সেবা নিতে হয়রানি নয়, নিশ্চিত করতে হবে দ্রুত সমাধান: সিএমপি কমিশনার মো. শওকত আলী তুরাগ নদীতে বন্ধুদের সঙ্গে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ গার্মেন্টস শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার বালিয়াডাঙ্গীতে ফ্যামিলি কার্ডের নামে বিকাশ প্রতারণা, পিন হাতিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ শিবপুরে ডায়াবেটিক অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, ৫ হাজার টাকা জরিমানা চমেকে ডায়ালাইসিস সংকট কাটছে, ৬ মাস বাড়ছে স্যান্ডরের চুক্তি টেকনাফে চুরি মামলার তদন্তে রোহিঙ্গা যুবক গ্রেপ্তার

চমেকে ডায়ালাইসিস সংকট কাটছে, ৬ মাস বাড়ছে স্যান্ডরের চুক্তি

এনামুল হক রাশেদীন
  • Update Time : Tuesday, November 3, 2026
  • 3 Time View

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম

“৬২১ টাকায় সেবা পাবেন ২৭৬ রোগী, স্বস্তি ফিরেছে কিডনি রোগীদের”
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে। রোগীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সার্ভিসেস বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি ভর্তুকিতে মাত্র ৬২১ টাকায় ডায়ালাইসিস সেবা নেওয়া ২৭৬ জন দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত রোগীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
আগামী ২৯ নভেম্বর স্যান্ডরের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ২০১৬ সালের নভেম্বরে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে গত বছরের ২৫ মে পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। চুক্তি শেষ হলে বিদ্যমান যন্ত্রপাতি ও জনবল নিয়ে যাওয়ার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। এতে বিপাকে পড়ার আশঙ্কায় ছিলেন স্বল্প আয়ের কিডনি রোগীরা।
এ পরিস্থিতিতে গত ২৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ডায়ালাইসিস সেন্টার রক্ষা কমিটি। সেখানে ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, স্যান্ডরের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন না করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নতুন মেশিন স্থাপন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে। এ সময়ে চিকিৎসাসেবা কীভাবে চলবে, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। নতুন ব্যবস্থা চালু না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান সেন্টারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা অথবা বিকল্প কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পিপিপির আওতায় ঢাকার জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট ও চমেক হাসপাতালে দুটি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করে স্যান্ডর। জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটে ৫৯টি এবং চমেক হাসপাতালে ৩১টি মেশিনের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। ২০১৭ সালের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালু করে।
বর্তমানে সরকারি ভর্তুকিতে দরিদ্র রোগীদের প্রতি সেশনে দিতে হয় ৬২১ টাকা। অথচ বেসরকারিভাবে প্রতি সেশনের খরচ ৩ হাজার ৩৯৭ টাকা। সিঙ্গেল ডায়ালাইজারের জন্য দিতে হয় ১ হাজার ৩২০ টাকা। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও অতিদরিদ্র কিছু রোগী বিনামূল্যে এ সেবা পেয়ে থাকেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বছরে ৬৫০ জন রোগীকে বিনামূল্যে সেবা দেওয়ার সুযোগ পায়। একজন রোগী মাসে সর্বোচ্চ আটটি সেশন নিতে পারেন।
গতকাল দুপুরে স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সেন্টারে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি বেডে চলছে রোগীদের ডায়ালাইসিস। অপেক্ষমাণ কক্ষে বসে আছেন স্বজনেরা। সেবাগ্রহীতাদের অধিকাংশই দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য।
চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রোগীরা। তাদের ভাষ্য, ডায়ালাইসিস বন্ধ হয়ে গেলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হতো। কিডনি রোগের চিকিৎসা এমনিতেই ব্যয়বহুল। ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি নিয়মিত ওষুধ কিনতেও বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। অধিকাংশ রোগীর মাসে আটটি পর্যন্ত ডায়ালাইসিস সেশন প্রয়োজন হয়।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন আজাদীকে বলেন, পিপিপির আওতায় স্যান্ডরের মাধ্যমে চমেক হাসপাতালে দরিদ্রসহ বিভিন্ন শ্রেণির কিডনি রোগী ডায়ালাইসিস সেবা নিচ্ছেন। চলতি নভেম্বরের শেষে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও রোগীদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আরও ছয় মাস মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্ধিত এ সময়ের মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একই স্থানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য মেশিন কেনা ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
হাসপাতাল পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে প্রতি সেশনে ডায়ালাইসিসের প্রকৃত খরচ ৩ হাজার ৩৯৭ টাকা। এর মধ্যে রোগীরা দিচ্ছেন ৬২১ টাকা, বাকি অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দিচ্ছে। স্যান্ডর প্রতিবছর সেবার মূল্য ৫ শতাংশ হারে বাড়ায়। প্রতিষ্ঠানটি শুধু যন্ত্রপাতি ও জনবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের ব্যয় বহন করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু হলে প্রতি সেশনে রোগীদের খরচ কমে ৪১৬ টাকায় নেমে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ঢাকা থেকে প্রকাশিত  বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা    

© All rights reserved © 2018 News Smart

Themes By ShimantoIT.com