1. dailychatoniaymuktijuddha@gmail.com : admin :
October 2, 2026, 4:39 pm
Title :
নাগরপুরে ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জননেতা মোঃ আতিকুর রহমান আতিক নাগরপুর পাইশানায় জুমার নামাজ শেষে গণসংযোগ ও তবারক বিতরণ করলেন সদর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মোস্তফা গোলাম কাজীয়াটি জামে মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে ওসি মোহনগঞ্জের সচেতনতামূলক মতবিনিময় রাড্ডা-কাণ্ডের পর এমপি পদত্যাগ: কে এই ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি? ধুনটে উদ্বোধনী ক্লাস ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আজাদ শিল্পীগোষ্ঠীর পথচলা শুরু কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় গোলাম মাহমুদ আজম চান দোয়া ও সমার্থন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে মারধোরের মুখে তিনবোনের স্ট্রাম্পে টিপছাব স্বাক্ষর আদায়, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ঢোলের জাদুকর বিনয়বাঁশী জলদাসের ১১৫তম জন্মদিবস পালিত কালিয়াকৈরে মশার উপদ্রব চরমে, ডেঙ্গু আতঙ্কে পৌরবাসী আমবাগে লিজেন্ডারি ক্রিকেট লীগের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কালিয়াকৈরে মশার উপদ্রব চরমে, ডেঙ্গু আতঙ্কে পৌরবাসী

Reporter Name
  • Update Time : Friday, October 2, 2026
  • 0 Time View

বিশেষ প্রতিনিধি,জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল: ড্রেন-খাল-ডোবায় ময়লা ও কচুরিপানা, দ্রুত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চান পৌরবাসী

গাজীপুরের শিল্পনগরী কালিয়াকৈর পৌরসভা এলাকায় মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ময়লা-আবর্জনায় ভরাট ড্রেন, খাল ও ডোবা-নালায় পানি জমে থাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে মশার প্রজননক্ষেত্র। এতে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মশার উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পৌর এলাকার বাসিন্দারা। একই সঙ্গে ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়া এবং অধিকাংশ ড্রেন ও নালা অপরিষ্কার থাকায় বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে আছে। কচুরিপানা ও পচনশীল আবর্জনায় ভরে থাকা এসব স্থান মশার বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেছে। চন্দ্রা, মৌচাক, সফিপুর, কালিয়াকৈর বাজার, হরতকীতলাসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান বলে স্থানীয়রা জানান।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন ড্রেন ও জলাশয়ে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা জমে আছে। কোথাও কোথাও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে স্থির পানি জমে রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম না থাকায় মশার উপদ্রব দিন দিন বাড়ছে।

এদিকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতেও চাপ বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

তিনি বলেন, শুধু রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পৌরসভাকে দ্রুত তিন দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি নিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে মশক নিধন এবং কচুরিপানা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চান্দরা উত্তরপাড়ার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যা হলেই মশার আক্রমণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে বিদ্যুৎ না থাকলে শিশুদের নিয়ে ঘরে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। তার অভিযোগ, মশার উপদ্রব কমাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

কালিয়াকৈর বাজারের বাসিন্দা শাহনাজ বেগম জানান, তাঁর দুই সন্তান ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার এবং মশানাশক ওষুধ ছিটানোর দাবি জানান।

সফিপুরের পোশাকশ্রমিক জাহাঙ্গীর আলম ও মৌচাকের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদেরও মশার উপদ্রব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের ভাষ্য, ঘর কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। পৌরসভা নিয়মিত কর আদায় করলেও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এ বিষয়ে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, পৌরসভার বিভিন্ন ড্রেন ও খাল বর্জ্যে ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে ব্যর্থদের ছাড় দেওয়া হবে না। পৌর কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ফগিং মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো এবং ড্রেন পরিষ্কারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের লোডশেডিং কমানোর জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মশার উপদ্রবের পাশাপাশি সন্ধ্যার পর নিয়মিত লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও দুর্ভোগপূর্ণ করে তুলছে। বিদ্যুৎ না থাকায় মশার কয়েল বা অন্যান্য প্রতিরোধ ব্যবস্থা ব্যবহার করেও অনেক সময় স্বস্তি মিলছে না বলে জানান তাঁরা।

সচেতন মহলের মতে, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে দ্রুত ড্রেন-খাল পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ, কচুরিপানা ও বর্জ্য সরানো এবং নিয়মিত মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা জরুরি। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ঢাকা থেকে প্রকাশিত  বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা    

© All rights reserved © 2018 News Smart

Themes By ShimantoIT.com