1. dailychatoniaymuktijuddha@gmail.com : admin :
October 24, 2026, 10:57 am
Title :
অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর নরসিংদীর পলাশে ১২ বছরের সিফাত নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে মায়ের আকুতি টেকনাফে মাটির নিচে মিলল ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা, উদ্ধার ১০ হাজার পিস শিবগঞ্জে অপহরণচেষ্টার অভিযোগ: সিএনজিতে পাঁচজনের দাবি, মামলায় আসামি তিন—তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন মেলান্দহে বিয়ের ২০ দিনের মাথায় স্ত্রীকে নিয়ে ‘উধাও’ কথিত মামা, গ্রেপ্তার ২

জন্মগত হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ৫ মাসের মাহিরা, চিকিৎসার খরচ জোগাতে অসহায় বাবার আকুতি

এম এইচ আর হাবিব ভান্ডারী
  • Update Time : Friday, October 23, 2026
  • 20 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: এম এইচ আর হাবিব ভান্ডারী

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা গ্রাম বিশ্বনাথপুর। গ্রামের ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়সারি। এই গ্রামেরই বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী রোজিনা আক্তার। তাঁদের পাঁচ মাস বয়সী কন্যাশিশু মাহিরা রহমান ওরফে মাহিরা জন্মগত জটিল হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। কিন্তু সীমিত আয়ের কারণে মেয়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারছেন না বাবা। তাই সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের পর থেকেই মাহিরার শরীর অস্বাভাবিক ঠান্ডা হয়ে আসছিল। উদ্বিগ্ন বাবা-মা তাকে নিয়ে ঢাকায় ছুটে যান। সেখানে লালমাটিয়ার একটি হাসপাতালে নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) টানা ১০ দিন চিকিৎসাধীন ছিল শিশুটি। ওই সময় গত ২৫ মে করা ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষায় তার হৃদ্‌যন্ত্রে গুরুতর জন্মগত ত্রুটি ধরা পড়ে বলে পরিবার জানিয়েছে।

চিকিৎসকের রিপোর্ট অনুযায়ী, মাহিরা ‘ডাবল ইনলেট লেফট ভেন্ট্রিকল’ বা সিঙ্গেল ভেন্ট্রিকল-জাতীয় জটিল হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। পাশাপাশি তার হৃদ্‌যন্ত্রে বড় ছিদ্র এবং হাইপোপ্লাস্টিক রাইট ভেন্ট্রিকল রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এসব জটিলতার কারণে শিশুটির স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং তার জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন।

মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে বাবা মজিবুর রহমান ইতিমধ্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে যোগাযোগ করেছেন। বর্তমানে মাহিরা শিশু হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার ফাতেমা এবং ডা. ইলিয়াস পাটোয়ারীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকেরা মাহিরার জন্য ধাপে ধাপে তিনটি জটিল ওপেন হার্ট সার্জারির প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। প্রথম ধাপে ‘পিএ ব্যান্ডিং’ নামের একটি অস্ত্রোপচার করতে হবে। বাংলাদেশে এই অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি বিবেচনায় চিকিৎসকেরা শিশুটিকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা।

চিকিৎসার সময় নিয়েও উদ্বিগ্ন পরিবার। তাদের ভাষ্য, শিশুটির ছয় মাস বয়সের মধ্যে প্রথম অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা জরুরি বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। মাহিরার বয়স ইতিমধ্যে পাঁচ মাস তিন দিন হওয়ায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তবে অস্ত্রোপচারের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও ঝুঁকি সম্পর্কে চিকিৎসকদের কাছ থেকে বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

মাহিরার চিকিৎসার প্রধান বাধা এখন অর্থসংকট। তার বাবা মজিবুর রহমান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে লজিস্টিক কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। মাসে তাঁর আয় প্রায় ২২ হাজার টাকা। এই সীমিত আয়ে পরিবারের ব্যয় মেটানোর পাশাপাশি মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

মজিবুর রহমানের ভাষ্য, মেয়ের চিকিৎসার জন্য নিজের সঞ্চয়, আত্মীয়স্বজন ও অফিসের সহকর্মীদের সহযোগিতা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রায় দেড় লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত। গ্রামের বাড়িতেও চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার মতো জমিজমা অবশিষ্ট নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে মেয়েকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর অর্থ জোগাড় করতে পারছেন না।

সন্তানের চিকিৎসার জন্য অসহায় এই বাবার আবেদন, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন মানবিক সংগঠন ও প্রবাসীরা যেন মাহিরার পাশে দাঁড়ান। সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

মাত্র পাঁচ মাস বয়সী মাহিরার সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার স্বপ্ন দেখছেন তার বাবা-মা। তাঁদের সেই স্বপ্ন পূরণে প্রয়োজন দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা ও আর্থিক সহযোগিতা। মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে শিশুটির চিকিৎসার পথ কিছুটা হলেও সহজ হতে পারে।

মাহিরার চিকিৎসায় সহায়তা করতে আগ্রহীরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার কাগজপত্র ও সহায়তার তথ্য যাচাই করে সহযোগিতা করতে পারেন। পরিবারের যাচাইকৃত মোবাইল নম্বর, বিকাশ/নগদ নম্বর বা ব্যাংক হিসাবের তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ঢাকা থেকে প্রকাশিত  বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা    

© All rights reserved © 2018 News Smart

Themes By ShimantoIT.com