নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: মোঃ কামরুল ইসলাম
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে একটি বাস কাউন্টারে হামলা চালিয়ে কাউন্টারচালক ও তাঁর ছেলেকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে একদল যুবকের বিরুদ্ধে। আজ শিমুলতলা এলাকায় অবস্থিত ‘মা-বাবার দোয়া’ বাস কাউন্টারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন বাস কাউন্টারের চালক সোহেল মাঝি (৪০) ও তাঁর ছেলে সিফাত মাঝি (১৮)। সোহেল মাঝি নলছিটি উপজেলার উত্তর জুরকাঠী এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহরাব মাঝির ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় শেখেরকাঠী এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাকির হাওলাদারের ছেলে রেজা হাওলাদার (২০), ফারুক হাওলাদারের ছেলে রাব্বী হাওলাদার (১৯), ভরতকাঠী এলাকার আলতাফ হাওলাদারের ছেলে তপু এবং জুরকাঠী এলাকার মাসুদ হাওলাদারের ছেলে জয়সহ প্রায় ১৬ থেকে ১৭ জন যুবক শিমুলতলায় অবস্থিত ‘মা-বাবার দোয়া’ বাস কাউন্টারে আসে। এ সময় তারা কাউন্টারচালক সোহেল মাঝির কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সোহেল মাঝি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র ও চাকু নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। হামলায় সোহেল মাঝি গুরুতর জখম হন। এ সময় বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাঁর ছেলে সিফাত মাঝিও হামলার শিকার হন।
পরে তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করেন। দ্রুত তাঁদের নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে সোহেল মাঝির শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠান।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হামলার নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় পুলিশের বক্তব্য, মামলা দায়ের কিংবা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা
© All rights reserved © 2018 News Smart
Leave a Reply