
আব্দুল হালিম, নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর: বিধি বহির্ভূত ও অবৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত মাদ্রাসা ইনডেকক্সধারী প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল হক এর এমপিও বাতিল ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক মাউশি মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন দেলদার হোসেন নামের এক সচেতন নাগরিক।
তথ্য ও দালীলিক প্রমানের ভিত্তিতে অভিযোগগুলি হল, রূপসী উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক গত ২৬-২-২০১২ তারিখের উক্ত পদে নিযোগ লাভ করেন এবং পরবর্তীতে সম্পুর্ণ বিধি বহির্ভূত উপাযে এমপিও ভুক্ত হয়ে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা ভোগ করে আসছেন।
আইনি অযোগ্যতা ও বিধির লঙ্গন উক্ত শিক্ষক ২৬-২-২০১২ তারিখে নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে চেতনাগন্জ রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত ছিলেন। তার ইনডেক্সটি ছিল মাদ্রাসা শিক্ষা ধারায়। তৎকালিন সময়ে কার্যকর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনবল কাঠামো ও এমপিও নির্দেশিকা ২০০৫ (স্মারক নং শাখা ১১/ নীতি ১-২ জনবল কাঠামো) ২০০৫/৫৭৭ এবং ২০১০/২০১২ সালের সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা ধারার কোন ইনডেক্সধারী সরাসরি সাধারণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ যাওয়ার / মাদ্রাসার অভিজ্ঞতা গণনা করার কোন আইনি সুযোগ বা বিধান ছিলনা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে ৫ মার্চ ২০১৫ তারিখে যার স্মারক নং ৮২ বিশেষ পরিপত্রের মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে মাদ্রাসায় ইনডেক্সধারী শিক্ষকদের সাধারণ স্কুল প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ দেয়। যেহেতু এই আইনটি ২০১৫ সালে পাশ হয়েছে, তাই ২০১২ সালে ২৬ শে ফেব্রয়ারীতে সম্পন্ন হওয়া উক্ত শিক্ষকের নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ, এখতিয়ার বহির্ভূত এবং সরকারি পরিপত্রের সুস্পষ্ট লঙ্গন। কানুনী পরিভাষায় ২০১৫ সালের এই প্রজ্ঞাপন কোনভাবেই ২০১২ সালের একটি অবৈধ নিয়োগ কে বৈধতা দিতে পারেনা।
আর্থিক অনিয়ম বিধিবহিভূত নিয়োগের মাধ্যমে বিগত বছর গুলোতে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন ভাতা উত্তোলন করা বিষয়টি রাষ্টীয় অর্থের অপচয় ও গুরুত্বর অডিট আপত্তির শামিল। এ ব্যাপারে দেলদার হোসেন বাদী হয়ে ইতিপূবে সহকারী জজ আদালতে প্রধান শিক্ষক রেজাউল হকের নিয়োগের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেযে মামলা করেছেছিলেন। যার মামলা নং অন্য ৬৪/২০১২। প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা ও এমপি এইচ এন আশিকুর রহমান ও তার পুত্র রাশেক রহমান আস্তাভাজন ও কাছের লোক হওয়ায় তার দাপট ও ভয় ভীতির কারনে আদালতে বাদী যাইতে পারেনি। তাই অত্র মামলা গড় হাজিরার কারনে খারিজ হয়।
২০০৫ সালের জনবল কাঠামোর ৫৭৭ নং পরিপত্র পুঙ্খানু বিশ্লেষক পূবক উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে উক্ত প্রধান শিক্ষকের অবৈধনিয়োগ বাতিল সহ তার এমপিও সুবিধা অনতিবিলম্বে স্থাগিত করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষে দেলদার হোসেন বাদী হয়ে মাউশি মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন। আবেদনের অনুলিপি স্থানীয় সাংসদ ২৩ রংপুর ৫ ( মিঠাপুকুর)
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, পরিচালক মাউশি,জেলা প্রশাসক রংপুর, উপ-রিচালক মাধ্যমিক শিক্ষা রংপুর অঞ্চল, জেলা শিক্ষা অফিসার রংপুর, ইউএনও এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিঠাপুকুর দিয়েছেন।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা
© All rights reserved © 2018 News Smart
Leave a Reply