1. dailychatoniaymuktijuddha@gmail.com : admin :
September 3, 2026, 8:05 pm
Title :
ঠাকুরগাঁও হরিপুরে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিশাল শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের ভুল্লীতে মাদকবিরোধী অভিযান, ট্যাপেন্টাডোলসহ গ্রেফতার ২ সিনিয়র সাংবাদিক মোশারফ হোসেন সম্পাদিত জেলার দৈনিক হিসেবে ডিক্লারেশন পেল ‘পঞ্চগড় খবর খাদেমুল ইসলাম! বোয়ালখালীতে শীলভদ্র মহাস্থবিরের মহাপ্রয়াণে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর শ্রদ্ধা নিবেদন বালিয়াকান্দিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার সিংড়ায় অসহায় পরিবারের নিরাপত্তা ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন নবীকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বীরগঞ্জে উত্তেজনা, ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ নড়াইলে মারকাযুল কোরআন মাদরাসার ছাত্রের মৃত্যু তিন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন‍্য গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁও হরিপুরে ৩৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, শূন্য পদ ১৮১

বিএড কোর্সে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনার অভিযোগ, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, September 2, 2026
  • 7 Time View

রাব্বি রহমান,নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বিএড কোর্স পরিচালনায় নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এক বছর মেয়াদি বিএড কোর্সে শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও প্রতিষ্ঠানে নেই প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষক-কর্মচারী। এমনকি নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম না চালিয়ে অন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, বিএড কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে তুলনামূলক বেশি অর্থ। এ নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা।
বিএড বা ব্যাচেলর অব এডুকেশন কোর্স একজন শিক্ষকের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চাকরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ ও আর্থিক সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নীলফামারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কিছু অসাধু কর্মচারী অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন—এমন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগ রয়েছে, এক বছর মেয়াদি বিএড কোর্সে শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও কলেজে নেই পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষক ও কর্মচারী। ফলে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ও একাডেমিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কার্যক্রম না চালিয়ে বর্তমানে নীলফামারী শহরের আনন্দবাবুর পুল সংলগ্ন নীলফামারী ক্যাডেট একাডেমী বিদ্যালয়ে বিএড কোর্সের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এক বছর মেয়াদি বিএড কোর্সের জন্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, এই খরচ সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অন্যান্য কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায়ও বেশি।
এতে প্রশ্ন উঠেছে—প্রকৃতপক্ষে বিএড কোর্স পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের কাঠামো কী এবং এর বিপরীতে তারা কী ধরনের শিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নীলফামারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কার্যক্রম শুরু হয় ২০০৬ সালে। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি নানা অনিয়মের অভিযোগ থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে পারেনি বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
অভিযোগ রয়েছে, কলেজের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন। কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করায় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পরিচালনা পর্ষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য পালন করছেন—এমন অভিযোগও করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রকৃত চিত্র জানতে প্রয়োজন প্রশাসনিক ও একাডেমিক তদন্ত।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটি পেশাগত কোর্সে ভর্তি হয়ে তারা নিয়মিত ও মানসম্মত শিক্ষা পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। কিন্তু শিক্ষক-কর্মচারীর স্বল্পতা, নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম না থাকা এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে।
তাদের দাবি, বিএড কোর্স পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের হিসাব প্রকাশের পাশাপাশি নিয়মিত ক্লাস, দক্ষ শিক্ষক এবং প্রয়োজনীয় একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে, নীলফামারী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনের এমন বক্তব্যের পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—অভিযোগগুলো কতটা সত্য? বিএড কোর্স পরিচালনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ও শর্তগুলো যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না? শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফি-এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে কি না? আর কেনই বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে অন্য প্রতিষ্ঠানের ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে?
এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদন্ত।
শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত একটি কোর্সে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অব্যবস্থাপনা কাম্য নয়। তাই অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
একই সঙ্গে নীলফামারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে দ্রুত নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে এনে একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি তাদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ঢাকা থেকে প্রকাশিত  বহুল আলোচিত গনমাধ্যম জাতীয় দৈনিক চেতনায় মুক্তিযোদ্ধা পত্রিকা    

© All rights reserved © 2018 News Smart

Themes By ShimantoIT.com