
নিজস্ব প্রতিবেদক
মাত্র ১৬ বছর বয়সে পবিত্র কুরআনের ৩০ পারার মধ্যে ২১ পারা হিফজ সম্পন্ন করেছে সাজ্জাদ। বাকি ৯ পারা হিফজ শেষ করে পূর্ণাঙ্গ হাফেজ হওয়ার স্বপ্ন তার। তবে জটিল অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সংকটে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার সেই স্বপ্ন।
পরিবারের দাবি, আগে তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন। পরে ইসলাম গ্রহণ করেন। বর্তমানে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। সাজ্জাদের বাবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এবং মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত আয়ে সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি অসুস্থ ছেলের চিকিৎসা চালিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে পেটে তীব্র ব্যথার কারণে সাজ্জাদের অস্ত্রোপচার করা হয়। এখনো তার চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। অসুস্থতার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে মাদ্রাসায় যাওয়া ও কুরআন হিফজের পড়াশোনা।
ছেলেকে পূর্ণাঙ্গ হাফেজ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন তার মা। কিন্তু অর্থের অভাবে সেই স্বপ্ন পূরণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মায়ের আকুতি, “বাঁচান আমার ছেলেটারে, আমি ওকে হাফেজ বানাইতে চাই।”
সাজ্জাদও সুস্থ হয়ে আবার মাদ্রাসায় ফিরতে চায়। বাকি ৯ পারা হিফজ সম্পন্ন করে মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চায় সে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারায় তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের।
এ অবস্থায় সাজ্জাদের চিকিৎসায় সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহযোগিতার আগে যাচাইয়ের অনুরোধ: সাজ্জাদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা পাঠানোর আগে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চিকিৎসার কাগজপত্র ও আর্থিক তথ্য যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
আল্লাহ সাজ্জাদকে দ্রুত সুস্থতা দান করুন এবং তার মায়ের স্বপ্ন পূরণের পথ সহজ করে দিন। আমিন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: - ইসলামী স্কলার আলহাজ্ব জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল ★ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: -কাজী মোস্তফা রুমি★ উপ সম্পাদক: -দেওয়ান কামরুজ্জামান কাজল★নির্বাহী সম্পাদক: ডাঃ মোঃ শাহীন মিয়া, ★বার্তা সম্পাদক: দেওয়ান মনিজা বেগম ★সহ বার্তা সম্পাদিকা: ★বিজ্ঞাপন বিষয়ক সম্পাদিকা: মিসেস প্রিয়া আক্তার। ফোন:+৮৮ ০১৭১৯১৪৫৩১৯ +৮৮০১৭১৫৬৭২০৯৭
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬