মিসেস চামেলী আক্তার প্রিয়া: বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় একটি নামী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চাকরির আড়ালে মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে আলামিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়ভাবে তিনি ‘বালতি আলামিন’ নামে পরিচিত বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে হিরোইন ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা ও সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সেলস ম্যান হিসেবে চাকরি করার সুবাদে প্রতিদিন মোটরসাইকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করেন আলামিন। আর এই চলাচলের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মাদকদ্রব্য সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
অভিযোগ রয়েছে, শাজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন বাস ও সিএনজি স্ট্যান্ডসহ কয়েকটি এলাকায় মাদকসেবীদের কাছে মাদক পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আগেও গ্রেপ্তারের অভিযোগ
স্থানীয় সূত্রগুলো আরও দাবি করছে, আলামিনের বিরুদ্ধে এর আগেও মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা রয়েছে। এমনকি মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে পুনরায় একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি, গ্রেপ্তারের রেকর্ড এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য প্রয়োজন।
রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে আলামিনের ঘনিষ্ঠতা ছিল এবং সেই রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা অব্যাহত রাখার অভিযোগ ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—বর্তমানে কার প্রভাব বা আশ্রয়ে তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন?
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একটি অংশের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। তবে এই অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন।
একজন স্থানীয় বিএনপি নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আলামিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অভিযোগ রয়েছে। এখন যদি আমাদের দলের কোনো নেতা তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে থাকেন, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
প্রশাসনের নজরদারি ও তদন্তের দাবি
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগগুলো সত্য হলে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রতিবেদনের স্বচ্ছতার স্বার্থে আলামিনের বক্তব্য জানা জরুরি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: - ইসলামী স্কলার মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল ★ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: -কাজী মোস্তফা রুমি★ উপ সম্পাদক: -দেওয়ান কামরুজ্জামান কাজল★নির্বাহী সম্পাদক: ডাঃ মোঃ শাহীন মিয়া, ★বার্তা সম্পাদক: মোঃ সোহেল রানা ★সহ বার্তা সম্পাদিকা: মিস রত্না আক্তার★বিজ্ঞাপন বিষয়ক সম্পাদিকা: মিসেস চামেলী আক্তার। ফোন:+৮৮ ০১৯১১০০৪৮২৫, +৮৮০১৭১৫৬৭২০৯৭
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬