উখিয়া প্রতিনিধি (কক্সবাজার): উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের জামতলা বাজার এলাকায় একটি মিনি টমটম থামিয়ে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পালংখালী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক সাহাব উদ্দিন এবং ছাত্রলীগের নেতা কামরুল ইসলাম মুন্না ও মোহাম্মদ রুবেলের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে উখিয়া-টেকনাফ মহাসড়কের জামতলা বাজারের একটি টমটম শোরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, পালংখালীর দিক থেকে ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে কয়েকজন ব্যক্তি জামতলা বাজার এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেন। পরে একটি মিনি টমটম থামিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে একটি কালো ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার ঘটনা তারা দেখেছেন বলে দাবি করেন। ওই ব্যাগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ছিল বলে সূত্রটির দাবি।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও ভয়ে তারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা একটি টমটম শোরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ছাড়া অন্য কারও কাছে ফুটেজ দিতে অনিচ্ছুক বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর সাহাব উদ্দিন দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। তার বিরুদ্ধে ইয়াবা ছিনতাই এবং রোহিঙ্গাদের ধরে এনে মুক্তিপণ আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে বলে ওই ব্যক্তি দাবি করেন।
এদিকে স্থানীয় যুবদলের এক নেতা বলেন, “অপরাধ করলে সে যে দলেরই হোক, দলের পরিচয় তার জন্য ঢাল হতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা।” তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি ও নিজের নাম প্রকাশ করতে চাননি।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সাহাব উদ্দিন, কামরুল ইসলাম মুন্না ও মোহাম্মদ রুবেলের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ করে নাই।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনছি। কেউ অভিযোগ করেনি। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ থাকলে ভালো হয়, তদন্তে আমাদের কাজ সহজ হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি সত্য হলে ইয়াবা ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: - ইসলামী স্কলার মাওঃ জীবন দেওয়ান উজ্জ্বল ★ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: -কাজী মোস্তফা রুমি★ উপ সম্পাদক: -দেওয়ান কামরুজ্জামান কাজল★নির্বাহী সম্পাদক: ডাঃ মোঃ শাহীন মিয়া, ★বার্তা সম্পাদক: মোঃ সোহেল রানা ★সহ বার্তা সম্পাদিকা: মিস রত্না আক্তার★বিজ্ঞাপন বিষয়ক সম্পাদিকা: মিসেস চামেলী আক্তার। ফোন:+৮৮ ০১৯১১০০৪৮২৫, +৮৮০১৭১৫৬৭২০৯৭
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬